আমার শেরপুর ৮ মিনিটে পড়ুন
প্রতি বছর অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতি ও শুক্রবার নালিতাবাড়ীর গারো পাহাড়ের কোলে বারোমারি সাধু লিওর ধর্মপল্লীতে ফাতেমা রাণী মা মারিয়ার তীর্থোৎসব হয়। দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার, কোনো বছর ৩০–৪০ হাজার পর্যন্ত, তীর্থযাত্রী মোমবাতি হাতে পাহাড়ি পথে আলোর শোভাযাত্রায় হাঁটেন। এই হিসাবে ২০২৬ সালের তীর্থযাত্রা ২৯ ও ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতি ও শুক্রবার) হওয়ার কথা। ইতিহাস, অনুষ্ঠানসূচি, যাতায়াত, ভিড় ও নিরাপত্তা, অন্য ধর্মের দর্শনার্থীদের শিষ্টাচার আর থাকা-খাওয়ার তথ্য এই গাইডে একসঙ্গে দেওয়া হলো।
এক নজরে বারোমারি তীর্থযাত্রা ২০২৬
| কী | ফাতেমা রাণী মা মারিয়ার বার্ষিক তীর্থোৎসব (রোমান ক্যাথলিক) |
|---|---|
| কোথায় | বারোমারি সাধু লিওর ধর্মপল্লী (বারোমারি মিশন), নালিতাবাড়ী, শেরপুর |
| ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ | বৃহস্পতিবার ২৯ ও শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬ (অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতি ও শুক্রবারের রীতি অনুযায়ী) |
| মূল আকর্ষণ | বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ২ কিমি পাহাড়ি পথে মোমবাতির আলোর শোভাযাত্রা; শুক্রবার সকালে জীবন্ত ক্রুশের পথ ও সমাপনী মহাখ্রিষ্টযাগ |
| প্রত্যাশিত ভিড় | সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ২৫ থেকে ৪০ হাজার তীর্থযাত্রী |
| প্রবেশ | কোনো প্রবেশ ফির খবর পাওয়া যায়নি |
| শেরপুর শহর থেকে | সড়কপথে প্রায় ২৯ কিমি |
| নালিতাবাড়ী শহর থেকে | প্রায় ১৬ কিমি উত্তরে |
| ঢাকা (মহাখালী) থেকে | প্রায় ১৯০ কিমি; বাসে সাধারণত সাড়ে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা |
দূরত্বগুলো ওপেনস্ট্রিটম্যাপের সড়ক-হিসাব থেকে নেওয়া আনুমানিক মান।
২০২৬ সালের তারিখ নিয়ে একটি জরুরি কথা
বারোমারির তীর্থোৎসব প্রতি বছর অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতি ও শুক্রবার হয়। ২০২৪ সালে তা হয়েছিল ৩১ অক্টোবর ও ১ নভেম্বর, ২০২৫ সালে ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০২৬ সালে অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, তাই এবারের তীর্থযাত্রা ২৯–৩০ অক্টোবর হওয়ার কথা। তবে ১৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত জাতীয় সংবাদমাধ্যমে ধর্মপল্লী বা ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের আনুষ্ঠানিক সূচির কোনো খবর আমরা খুঁজে পাইনি। রওনা হওয়ার আগে নিজের ধর্মপল্লী বা স্থানীয় গির্জা থেকে তারিখ ও সময় নিশ্চিত করে নিন।
বারোমারি তীর্থস্থানের ইতিহাস
বারোমারি সাধু লিওর ক্যাথলিক ধর্মপল্লী প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪২ সালে, প্রায় ৪২ একর জমির ওপর। জায়গাটি নালিতাবাড়ী উপজেলার উত্তরে, ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড়ের পাদদেশে। ১৯৯৮ সালে ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের তৎকালীন বিশপ (প্রয়াত) ফ্রান্সিস এ. গমেজ জায়গাটিকে ‘ফাতেমা রাণীর তীর্থস্থান’ ঘোষণা করেন। তখন থেকে প্রতি বছর এখানে তীর্থোৎসব হয়। ক্যাথলিক সংবাদমাধ্যম ওএসভি নিউজের ভাষ্যে, পোপ দ্বিতীয় জন পলের ‘বিশ্বাসের তীর্থযাত্রা’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই ঘোষণা আসে। ওই প্রতিবেদনে ঘোষণার বছর ১৯৯৭ লেখা, তবে বাংলা সংবাদমাধ্যমগুলোর বেশির ভাগ ১৯৯৮ সাল উল্লেখ করে।
বাংলা ট্রিবিউনের ভাষ্যে, তীর্থস্থানটি পর্তুগালের ফাতেমা নগরীর আদলে সাজানো এবং বড় প্যান্ডেলের সামনে রয়েছে মা মারিয়ার ৪৮ ফুট উঁচু মূর্তি। ২০২০ সালে কোভিডের কারণে উৎসব কয়েক ঘণ্টায় সীমিত রাখা হয়েছিল, প্রতিটি ধর্মপল্লী থেকে মাত্র ১২ জন প্রতিনিধি এসেছিলেন। ২০২৫ সালের আয়োজনকে আইটিভি ২৭তম বার্ষিক তীর্থোৎসব বলেছে। সেবার তীর্থস্থানের রজতজয়ন্তীও পালিত হয় এবং মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘আশার তীর্থযাত্রী; ফাতেমা রাণী মা মারিয়া, বারোমারি’। উৎসব উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ কেভিন এস. র্যান্ডাল, আর সমাপনী খ্রিষ্টযাগ পরিচালনা করেন ময়মনসিংহের বিশপ পনেন পল কুবি।
অনুষ্ঠানসূচি: সাধারণত কী কী হয়
২০২৪ ও ২০২৫ সালের সূচি প্রায় একই ছিল। ২০২৬ সালেও কাঠামো একই রকম থাকার কথা, তবে সময় বদলাতে পারে।
| দিন ও সময় (আনুমানিক) | অনুষ্ঠান |
|---|---|
| বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা | পবিত্র খ্রিষ্টযাগ দিয়ে উৎসবের শুরু |
| বৃহস্পতিবার রাত ৮টা–সাড়ে ৮টা | মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোর শোভাযাত্রা: জপমালা প্রার্থনা করতে করতে উঁচু-নিচু টিলার প্রায় ২ কিমি পথ পরিক্রমা, সঙ্গে মা মারিয়ার মূর্তি |
| বৃহস্পতিবার রাত ১১টা | প্যান্ডেলে মা মারিয়ার মূর্তির সামনে সাক্রামেন্তের আরাধনা |
| মধ্যরাত | নিরাময় অনুষ্ঠান, ব্যক্তিগত প্রার্থনা ও নিশিজাগরণ |
| শুক্রবার সকাল ৮টা | জীবন্ত ক্রুশের পথ |
| শুক্রবার সকাল ১০টা | মহাখ্রিষ্টযাগ (সমাপনী প্রার্থনা), এর মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি |
অনেক তীর্থযাত্রী সারা রাত জেগে প্রার্থনায় কাটান। প্রথম আলোর ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে রাজশাহী আর নেত্রকোনার বিরিশিরি থেকে আসা তীর্থযাত্রীরা বলেছেন, তাঁরা মনের আশা পূরণ আর ভুলের ক্ষমা চাইতে মা মারিয়ার কাছে প্রার্থনা করতে আসেন। তীর্থস্থানের বাইরে বিশাল এলাকাজুড়ে বারোয়ারি মেলাও বসে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে
- সরাসরি নালিতাবাড়ী: মহাখালী থেকে ময়মনসিংহ হয়ে নালিতাবাড়ীর বাস চলে। বিআরটিএর সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের ভাড়ার তালিকায় এই পথ ১৯২ কিমি, ভাড়া ৪৬১ টাকা (৫১ আসনের বাস) ও ৫৮৮ টাকা (৪০ আসনের বাস)। নালিতাবাড়ী থেকে সিএনজি বা অটোতে বারোমারি প্রায় ১৬ কিমি।
- শেরপুর শহর হয়ে: মহাখালী থেকে শেরপুরের বাসে (নকলা হয়ে ১৮৩ কিমি, ভাড়া ৪৪১/৫৬২ টাকা) এসে শহর থেকে সিএনজি বা অটোতে নালিতাবাড়ী হয়ে বারোমারি, প্রায় ২৯ কিমি।
- নিজস্ব গাড়িতে: মহাখালী থেকে প্রায় ১৯০ কিমি। তীর্থের দিনে মিশনের কাছে রাস্তা সরু ও ভিড়ে ঠাসা থাকে, তাই আগে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।
শেরপুর শহর থেকে
শহরের খোয়ারপাড় বা নালিতাবাড়ী স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি বা অটোতে প্রথমে নালিতাবাড়ী, তারপর নাকুগাঁওমুখী সড়ক ধরে বারোমারি। পুরো পথ প্রায় ২৯ কিমি, গাড়িতে আধা ঘণ্টার মতো। তীর্থের দুই দিন ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাওয়া হতে পারে, উঠার আগেই দরদাম ঠিক করে নিন। এই পথের কোনো প্রকাশিত নির্ধারিত ভাড়া আমরা পাইনি।
ময়মনসিংহ থেকে
ঢাকা থেকে নালিতাবাড়ী ও শেরপুরগামী বাসগুলো ময়মনসিংহ হয়ে যায়, তাই ময়মনসিংহ থেকেও এসব বাসে ওঠা যায়। ময়মনসিংহ শহর থেকে বারোমারির সড়ক-দূরত্ব প্রায় ৮০ কিমি। এই অংশের আলাদা সরকারি ভাড়া প্রকাশিত হয়নি।
বাস কোম্পানি, ছাড়ার সময় আর উপজেলাভিত্তিক যাতায়াতের বিস্তারিত পাবেন শেরপুরের উপজেলাভিত্তিক বাস ও ট্রেন গাইডে। মিশনের অবস্থান দেখতে পারেন আমার শেরপুরের মানচিত্রে।
ভিড় ও নিরাপত্তা
ভিড়ের হিসাব বছরভেদে আলাদা। প্রথম আলোর হিসাবে ২০২৪ সালে প্রায় ২৫ হাজার এবং ২০২৫ সালে ৩০–৪০ হাজার তীর্থযাত্রী এসেছিলেন। আইটিভির হিসাবে ২০২৫ সালে এসেছিলেন প্রায় ৩৫ হাজার। বাংলা ট্রিবিউন ২০২০ সালে লিখেছিল, স্বাভাবিক বছরে ৪০–৫০ হাজার মানুষ আসেন।
প্রতি বছর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আগে থেকে প্রস্তুতি নেয়। ২০২৩ সালে উৎসবের আগে শেরপুরের পুলিশ সুপার মিশন পরিদর্শন করে ফোর্স মোতায়েনের জায়গা ঠিক করেন। ২০২০ সালে পুলিশ তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থার কথা জানিয়েছিল। ২০২৫ সালে প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তার কথা জানায় এবং পুলিশ সুপার বলেন, উৎসব কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে। ২০২৬ সালের নিরাপত্তা পরিকল্পনা এখনো প্রকাশিত হয়নি।
আয়োজকেরা নিজেরাই বলেছেন, অর্থাভাবে পর্যাপ্ত টয়লেট, বিশ্রামের জায়গা আর নিরবচ্ছিন্ন আলোর ব্যবস্থা করা কঠিন (ওএসভি নিউজ, নভেম্বর ২০২৫)। তাই নিজের প্রস্তুতি নিয়ে যান:
- টর্চ বা পাওয়ার ব্যাংকসহ মোবাইল, পানির বোতল আর হালকা শুকনো খাবার সঙ্গে রাখুন।
- আলোর শোভাযাত্রার পথ উঁচু-নিচু ও মাটির। আরামদায়ক জুতা পরুন, শিশু ও বয়স্কদের হাত ধরে রাখুন।
- ভিড়ে দলের সবার জন্য একটি নির্দিষ্ট মিলনস্থল ঠিক করে নিন। মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল হতে পারে।
- মোমবাতি হাতে চলার সময় চুল, ওড়না ও শাড়ির আঁচল সামলে রাখুন। ভিড়ে আগুন থেকে সাবধান থাকুন।
- মানিব্যাগ ও মোবাইল সামনের পকেটে বা ব্যাগে রাখুন।
- অক্টোবরের শেষে পাহাড়ি এলাকায় রাত ঠান্ডা হয়ে আসে। নিশিজাগরণে থাকলে একটা হালকা চাদর নিন।
- নালিতাবাড়ী-ঝিনাইগাতীর সীমান্তবর্তী বনে বন্য হাতির চলাচল আছে, বিশেষ করে রাতে। গভীর রাতে পাহাড়ি পথে একা বা ছোট দলে চলাচল এড়িয়ে চলুন।
- এলাকাটি সীমান্তের কাছে। জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন, আর সীমান্তের দিকে অকারণে যাবেন না।
জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করুন। নালিতাবাড়ী থানা, হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের নম্বর আছে শেরপুরের জরুরি নম্বরের তালিকায়।
অন্য ধর্মের দর্শনার্থীদের জন্য শিষ্টাচার
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি বছর অন্য ধর্মের মানুষও এই উৎসবে আসেন। স্থানীয়দের কাছে এটি সম্প্রীতির উৎসব। তবে মনে রাখবেন, এটি একটি ধর্মীয় আয়োজন, পিকনিক বা পর্যটন অনুষ্ঠান নয়। এই কয়েকটি বিষয় মেনে চলুন:
- শালীন পোশাক পরুন। প্রার্থনার সময় জোরে কথা বলা, গান বাজানো বা হইচই করবেন না।
- খ্রিষ্টযাগ, আরাধনা ও নিরাময় অনুষ্ঠানের সময় ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি বা সেলফি তুলবেন না। প্রার্থনারত কারও ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের।
- শোভাযাত্রার পথ আটকে দাঁড়াবেন না, মিছিলের ভেতর দিয়ে পার হবেন না। স্বেচ্ছাসেবক ও আয়োজকদের নির্দেশ মেনে চলুন।
- খ্রিষ্টযাগে ‘খ্রিষ্টপ্রসাদ’ (হোস্ট) শুধু দীক্ষিত ক্যাথলিকদের জন্য। অন্য ধর্মের হলে এ সময় নিজের জায়গায় বসে থাকুন। চাইলে নীরবে পাশে থাকতে পারেন।
- মূর্তি, বেদি বা সাজসজ্জায় হাত দেবেন না, এসবের ওপর উঠে ছবি তুলবেন না।
- তীর্থ এলাকায় ধূমপান, মদ্যপান বা নেশাজাতীয় কিছু নয়। আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলুন।
- ড্রোন ওড়াতে চাইলে আগে আয়োজক ও প্রশাসনের অনুমতি নিন। জায়গাটি সীমান্তের কাছে, ভিড়ও অনেক বেশি।
কোথায় থাকবেন, কী খাবেন
নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড় এলাকায় আধুনিক হোটেল বা রিসোর্ট প্রায় নেই। প্রথম আলোর সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যটকদের সাধারণত দিনের আলো থাকতেই জেলা শহরে ফিরতে হয়। দূর থেকে এলে শেরপুর শহরে থাকাই সবচেয়ে সুবিধাজনক। তীর্থের সপ্তাহে ভিড় বাড়ে, তাই আগেই হোটেল বুক করে নিন। হোটেলের তালিকা ও ফোন নম্বর পাবেন শেরপুরের হোটেল ও গেস্ট হাউস গাইডে। দলবদ্ধ তীর্থযাত্রীরা অনেক সময় নিজ নিজ ধর্মপল্লীর মাধ্যমে থাকার ব্যবস্থা করেন। মিশনে থাকা যাবে কি না, তা আগে আয়োজকদের কাছ থেকে জেনে নিন।
খাবারের জন্য তীর্থের মেলায় অস্থায়ী দোকান বসে। এর বাইরে নালিতাবাড়ী শহরে সাধারণ ভাতের হোটেল আছে। রাতে নিশিজাগরণে থাকলে পানি আর শুকনো খাবার নিজের সঙ্গে রাখা ভালো। শেরপুর শহরে ফিরলে বিখ্যাত ছানার পায়েস খেয়ে দেখতে ভুলবেন না।
আশপাশে আর কী দেখবেন
তীর্থের দুই দিন আশপাশের রাস্তায় খুব ভিড় থাকে। তাই কাছের দর্শনীয় জায়গাগুলো শনিবার ৩১ অক্টোবর বা পরের দিন ঘুরে দেখাই ভালো।
| জায়গা | বারোমারি থেকে দূরত্ব (আনুমানিক) |
|---|---|
| নাকুগাঁও স্থলবন্দর (ওপারে মেঘালয়ের ডালু) | প্রায় ৫ কিমি |
| মধুটিলা ইকোপার্ক | প্রায় সাড়ে ৬ কিমি |
| পানিহাটা-তারানি ও ভোগাই নদী | প্রায় সাড়ে ৮ কিমি |
| গজনী অবকাশ কেন্দ্র (ঝিনাইগাতী) | প্রায় ২০ কিমি |
ছবি: George achik · CC BY-SA 4.0 · উৎস
দুই দিনের পুরো ভ্রমণ সাজাতে চাইলে দেখুন শেরপুর ভ্রমণ পরিকল্পনা ও বাজেট। জেলার সামগ্রিক পরিচয় পাবেন শেরপুর জেলা গাইডে।
সূত্র
- বিডিনিউজ২৪: বারোমারিতে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব (৩১ অক্টোবর ২০২৫)
- প্রথম আলো: ‘ফাতেমা রানীর তীর্থোৎসবে’ আলোয় ভাসল গারো পাহাড় (৩১ অক্টোবর ২০২৫); মনের আশা পূরণ করতে ফাতেমা রানী তীর্থোৎসবে হাজারো ভক্ত (১ নভেম্বর ২০২৪)
- আইটিভি: শেরপুরে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব সম্পন্ন (৩১ অক্টোবর ২০২৫)
- ওএসভি নিউজ: Thousands of Catholics gather at shrine of Fatima Rani in Bangladesh (৪ নভেম্বর ২০২৫)
- বাংলা ট্রিবিউন: শেরপুরে খ্রিষ্টান ধর্মপল্লীতে ফাতেমা রানির তীর্থ উৎসব (১ নভেম্বর ২০২০)
- দেশ টিভি: শেরপুরে চলছে ফাতেমা রাণী মা মারিয়ার তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি (২৪ অক্টোবর ২০২৩)
- প্রথম আলো: দূরদূরান্ত থেকে আসেন পর্যটক, দিনের আলো থাকতেই ফিরতে হয় (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- বিআরটিএ, মহাখালী থেকে আন্তঃজেলা বাস ভাড়ার তালিকা, সেপ্টেম্বর ২০২৬
- দূরত্ব: ওপেনস্ট্রিটম্যাপ/ওএসআরএম সড়ক-হিসাব (অক্টোবর ২০২৬)
সর্বশেষ হালনাগাদ: অক্টোবর ২০২৬। ২০২৬ সালের তারিখটি অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতি-শুক্রবারের রীতি অনুযায়ী হিসাব করা। আনুষ্ঠানিক সূচি বা সময় বদলালে আয়োজকদের ঘোষণাই চূড়ান্ত। বারোমারি তীর্থস্থানের কোনো মুক্ত লাইসেন্সের ছবি পাওয়া যায়নি, তাই প্রচ্ছদে প্রতীকী ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।