আমার শেরপুর ৮ মিনিটে পড়ুন
গারো পাহাড়ের কোলে, ভারতের মেঘালয় সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে শেরপুরের সবচেয়ে জনপ্রিয় বেড়ানোর জায়গা গজনী অবকাশ কেন্দ্র। ঢাকা বা শেরপুর থেকে কীভাবে যাবেন, টিকিট কত, ভেতরে কী কী দেখবেন, কোথায় খাবেন-থাকবেন আর কী সতর্কতা মানবেন, সব এই গাইডে।
প্রচ্ছদের ছবি: গজনীর উঁচু টিলা থেকে দেখা ধানক্ষেত আর শাল-গজারির বন। ছবি: Nahid Sultan · CC BY-SA 4.0 · উৎস
এক নজরে গজনী অবকাশ কেন্দ্র
| অবস্থান | কাংশা ইউনিয়ন, ঝিনাইগাতী, শেরপুর; ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিমি উত্তরে |
|---|---|
| শেরপুর শহর থেকে দূরত্ব | প্রায় ৩০ কিমি |
| ঢাকা থেকে সময় | সড়কপথে সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা |
| প্রতিষ্ঠা | ১৯৯৩, শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে |
| আয়তন | প্রায় ৯০ একর (প্রায় ২৭০ বিঘা) |
| প্রবেশ টিকিট | জনপ্রতি ২০ টাকা (২০২৫) |
| ওয়াচ টাওয়ার | জনপ্রতি ১০ টাকা |
| রাইড | রাইডভেদে ১০–১০০ টাকা |
| রাতে থাকা | অনুমতি নেই; শেরপুর শহরে থাকতে হয় |
| সেরা সময় | নভেম্বর থেকে মার্চ (শীতকাল) |
গজনী অবকাশ কেন্দ্রের ইতিহাস
ব্রিটিশ আমল থেকেই ঝিনাইগাতীর এই পাহাড়ি এলাকা পিকনিকের জায়গা হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৯৩ সালে শেরপুর জেলা প্রশাসন এখানে প্রায় ৯০ একর জায়গা জুড়ে অবকাশ কেন্দ্র গড়ে তোলে। প্রথম আলোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্যোগটি ছিল তৎকালীন জেলা প্রশাসক আতাউর রহমান মজুমদারের। কেন্দ্রটি এখনো জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন অবকাশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দেখাশোনা করে; প্রবেশদ্বার আর কিছু রাইড ইজারাদারের মাধ্যমে চলে।
উঁচু-নিচু লাল মাটির টিলা, শাল-গজারি আর সেগুনের বন, মাঝখানে লেক আর টিলার ওপর থেকে দেখা মেঘালয়ের পাহাড়, এই মিলিয়েই গজনী। ১৯৭১ সালে এখানে মুক্তিযোদ্ধারা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন; সেই স্মৃতিতে কেন্দ্রের ভেতরে একটি স্মৃতিসৌধ আছে।
ছবি: Maniklikesbd · CC BY-SA 4.0 · উৎস
গজনীতে কী কী দেখবেন
ছবি: মোঃ চঞ্চল মাহামুদ ভারুয়া · CC BY-SA 4.0 · উৎস
সাইট ভিউ টাওয়ার
গজনীর সবচেয়ে পরিচিত স্থাপনা। কয়েক তলার গোল টাওয়ারটি সাধারণত ৬৪ ফুট উঁচু বলে উল্লেখ করা হয় (কোনো কোনো সূত্রে ৮০ ফুট)। ওপরে উঠলে একদিকে গারো পাহাড় আর মেঘালয়ের নীলচে পাহাড়সারি, অন্যদিকে বনের ফাঁকে ধানক্ষেত। টিকিট জনপ্রতি ১০ টাকা।
ছবি: Redmin · CC BY 4.0 · উৎস
ক্যাবল কার, জিপ লাইন ও ঝুলন্ত সেতু
২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি রাইড চালু হয়। ক্যাবল কার কৃত্রিম ঝরনার ওপর দিয়ে এক টিলা থেকে আরেক টিলায় যায়; জিপ লাইন প্রবেশপথের পাশের লেকের ওপর দিয়ে; আর ঝুলন্ত সেতু দুটি টিলাকে জুড়েছে। ছুটির দিনে এসব রাইডে লম্বা লাইন হয়, সকাল সকাল গেলে ভিড় কম পাবেন।
লেক, প্যাডেল বোট আর ভাসমান সেতু
কেন্দ্রের লেকগুলোতে প্যাডেল বোটে ঘোরা যায়, এর মধ্যে আছে অর্ধচন্দ্রাকৃতির ক্রিসেন্ট লেক। লেকের ওপর রংধনু ব্রিজ আর কৃত্রিম দ্বীপে লেক ভিউ পেন্টাগন। ২০২৩–২৪ সালে যোগ হয়েছে ভাসমান সেতু আর ওয়াটার কিংডম (ওয়াটার পার্ক)।
ড্রাগন টানেল (পাতালপুরী)
মাটির নিচ দিয়ে এক টিলা থেকে আরেক টিলায় যাওয়ার সুড়ঙ্গপথ, মুখটা ড্রাগনের আকৃতির। শিশুদের কাছে খুব জনপ্রিয়।
পদ্মসিঁড়ি, ভাস্কর্য আর কৃত্রিম ঝরনা
প্রবেশপথেই জলপরীর (মৎস্যকন্যা) ভাস্কর্য। ভেতরে ডাইনোসর, জিরাফ আর হাতির প্রতিকৃতি। দুইশোর বেশি ধাপের পদ্মসিঁড়ি বেয়ে পাহাড়চূড়ার রেস্ট হাউজে ওঠা যায়। টিলার গা বেয়ে নেমেছে কৃত্রিম ঝরনা ‘আলোকের ঝরনাধারা’।
ছবি: Redmin · CC BY 4.0 · উৎস
গারো মা ভিলেজ, শিশুপার্ক আর ব্র্যান্ডিং কর্নার
- গারো মা ভিলেজ: মাশরুম ছাতা আর পাখির আকৃতির বেঞ্চে বসে নিচের গারো গ্রাম দেখার জায়গা।
- চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্ক: খেলনা ট্রেন, নাগরদোলা, মেরি-গো-রাউন্ডসহ শিশুদের প্রায় ৫০টি খেলার সরঞ্জাম।
- জেলা ব্র্যান্ডিং কর্নার: ‘পর্যটনের আনন্দে, তুলশীমালার সুগন্ধে শেরপুর’ স্লোগানের এই কর্নারে তুলশীমালা চাল আর আদিবাসীদের হাতের কাজ কেনা যায়।
- পাহাড়ি পথ: টিলাগুলোর ওপর দিয়ে লম্বা হাঁটার পথ, সঙ্গে নজরুল আর রবীন্দ্রনাথের কবিতার ফলক।
মিনি চিড়িয়াখানা নিয়ে একটি তথ্য: লাইসেন্স না থাকায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে বন বিভাগ এখানকার মিনি চিড়িয়াখানা থেকে ১৭টি প্রাণী উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এরপর চিড়িয়াখানাটি আবার চালু হয়েছে কি না, নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগে থাকা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আর আদিবাসী জাদুঘরের বর্তমান অবস্থাও যাচাই করা যায়নি।
টিকিট ও অন্যান্য খরচ (২০২৫)
| খাত | খরচ |
|---|---|
| প্রবেশ টিকিট | জনপ্রতি ২০ টাকা |
| সাইট ভিউ টাওয়ার | জনপ্রতি ১০ টাকা |
| রাইড (ক্যাবল কার, জিপ লাইন, বোট ইত্যাদি) | রাইডভেদে ১০–১০০ টাকা |
| পার্কিং: বাস/ট্রাক | ৭০০ টাকা |
| পার্কিং: মিনিবাস | ৫০০ টাকা |
| পার্কিং: মাইক্রোবাস | ৩০০ টাকা |
| পার্কিং: প্রাইভেট কার | ২০০ টাকা |
খরচগুলো ২০২৫ সালের জুনে প্রথম আলোয় প্রকাশিত কেন্দ্রের তালিকা থেকে। খোলা-বন্ধের নির্দিষ্ট সময়সূচি কোনো সরকারি সূত্রে প্রকাশিত নেই; কেন্দ্রটি দিনের বেলা খোলা থাকে, সন্ধ্যার আগে বের হয়ে আসুন। প্রবেশের টিকিট (গেট পাস) সঙ্গে রাখুন, সীমান্তের কাছে বিজিবি দেখতে চাইতে পারে।
ঢাকা থেকে গজনী যাওয়ার উপায়
ধাপ ১: ঢাকা থেকে শেরপুর বা ঝিনাইগাতী
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে শেরপুরের বাস সারা দিন ছাড়ে। বিআরটিএর সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তালিকা অনুযায়ী নন-এসি বাসে ভাড়া ৪৪১–৫৪৬ টাকা (পথভেদে), এসি বাসে সাধারণত ৬০০–৭০০ টাকা। মহাখালী থেকে সরাসরি ঝিনাইগাতীর বাসও আছে (অবকাশ এক্সপ্রেস, সিয়ামসহ প্রায় ১৫টি কোম্পানি); ঝিনাইগাতী থেকে গজনী মাত্র ৮ কিমি। সব বাসের নাম, সময় আর কাউন্টার নম্বর দেখুন শেরপুর বাস সময়সূচি ও ভাড়া লেখায়।
ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর থেকে জামালপুর, সেখান থেকে সিএনজি বা অটোতে শেরপুর (প্রায় ১৫ কিমি)।
ধাপ ২: শেরপুর শহর থেকে গজনী
- শেরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে অটোতে খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর (জনপ্রতি প্রায় ১০ টাকা)। এখান থেকেই গজনী-মধুটিলার সিএনজি আর অটো ছাড়ে।
- সারা দিনের জন্য সিএনজি রিজার্ভ: প্রায় ৬০০–১,০০০ টাকা (৬–৮ জন)। একই গাড়িতে গজনী আর মধুটিলা দুটোই ঘোরা যায়। দরদাম করে নিন, কোথায় কোথায় যাবেন আগেই ঠিক করুন।
- মাইক্রোবাস ভাড়া: বড় দলের জন্য প্রায় ৩,০০০–৫,০০০ টাকা।
- লোকাল বাসে: শেরপুর থেকে ঝিনাইগাতী, তারপর অটো বা সিএনজিতে গজনী।
ছবি: Nahid Sultan · CC BY-SA 4.0 · উৎস
কোথায় খাবেন, কোথায় থাকবেন
কেন্দ্রের ভেতরে ক্যান্টিন আর কফি হাউজ আছে, প্রবেশপথের আশপাশে প্রায় ১০০টি দোকান। ভাত, দেশি মুরগি, গরুর মাংস, ছোট মাছ আর ভর্তা পাওয়া যায়। ঝিনাইগাতী বাজারের হোটেলেও দুপুরের খাবার সারা যায়। ফেরার পথে শেরপুর শহরের বিখ্যাত ছানার পায়েস কিনতে ভুলবেন না।
রাতে থাকা: নিরাপত্তার কারণে গজনীর রেস্ট হাউজে রাত্রিযাপনের অনুমতি নেই, আর কেন্দ্রে কোনো সরকারি হোটেল-মোটেলও নেই (পর্যটন করপোরেশনের মোটেল তৈরির পরিকল্পনা কয়েক বছর ধরে প্রক্রিয়াধীন)। থাকতে হবে প্রায় ৩০ কিমি দূরের শেরপুর শহরের হোটেলে, অথবা গজনীর ১ কিমির মধ্যে ছোট বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্টে। হোটেলের তালিকা, ভাড়া আর ফোন নম্বর দেখুন শেরপুরের আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ লেখায়।
কখন যাবেন
নভেম্বর থেকে মার্চ গজনীর মৌসুম। শীতে আবহাওয়া আরামদায়ক, প্রতি মৌসুমে লাখো পর্যটক আসেন, শিক্ষাসফর আর পিকনিকে মুখর থাকে। ঈদের ছুটিতেও প্রচণ্ড ভিড় হয়। ভিড় এড়াতে চাইলে সপ্তাহের মাঝামাঝি কোনো দিন সকালে যান। বর্ষায় সবুজ সবচেয়ে গাঢ় থাকে, তবে টিলার মাটির পথ পিচ্ছিল হয়।
ছবি: Redmin · CC BY 4.0 · উৎস
জরুরি সতর্কতা: বন্য হাতি আর সীমান্ত
- সন্ধ্যার আগেই ফিরুন: গজনী এলাকায় বন্য হাতির পাল নামে। ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে গজনীর কাছে, এর মধ্যে গজনী–বাকাকুড়া সড়কে, হাতির আক্রমণে দুজন মারা যান। অন্ধকার নামার আগে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসুন, সন্ধ্যার পর বনের রাস্তায় হাঁটবেন না।
- হাতি দেখলে: কাছে যাবেন না, ছবি তুলতে বা তাড়াতে চেষ্টা করবেন না। নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়ে স্থানীয় লোকজন বা ৯৯৯-এ জানান।
- সীমান্ত: মেঘালয় সীমান্ত খুব কাছে। গভীর বনে বা সীমান্তের দিকে যাবেন না, বিজিবির নির্দেশনা মেনে চলুন।
- রাইডে সাবধান: ভিড়ের দিনে ক্যাবল কার আর ঝুলন্ত সেতুতে ধাক্কাধাক্কি এড়িয়ে চলুন, শিশুদের হাত ধরে রাখুন।
- পরিবেশ রক্ষা: প্লাস্টিক আর খাবারের প্যাকেট যেখানে-সেখানে ফেলবেন না।
জরুরি প্রয়োজনে ঝিনাইগাতী থানা, ফায়ার সার্ভিস আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নম্বর পাবেন শেরপুর জেলার জরুরি নম্বর লেখায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯।
গজনীর সঙ্গে আর কী ঘুরবেন
- মধুটিলা ইকোপার্ক (নালিতাবাড়ী): বন বিভাগের পরিবেশ-উদ্যান, ওয়াচ টাওয়ার আর লেক। একই সিএনজিতে গজনীর সঙ্গে ঘোরা যায়।
- পানিহাটা-তারানি (নালিতাবাড়ী): ভোগাই নদী আর মেঘালয়ের পাহাড়ের দৃশ্য।
- রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা (শ্রীবরদী)।
- সন্ধ্যাকুড়া রাবার বাগান (ঝিনাইগাতী)।
এক বা দুই দিনে কীভাবে সব ঘুরবেন আর জনপ্রতি খরচ কত, দেখুন শেরপুর ভ্রমণ পরিকল্পনা। শেরপুরের ইতিহাস আর অন্য দর্শনীয় স্থান নিয়ে পড়ুন শেরপুর জেলা গাইড।
সাধারণ প্রশ্ন
গজনী অবকাশ কেন্দ্রের টিকিটের দাম কত?
২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী প্রবেশ টিকিট জনপ্রতি ২০ টাকা, ওয়াচ টাওয়ার ১০ টাকা আর রাইডভেদে ১০–১০০ টাকা।
শেরপুর শহর থেকে গজনী কত দূর?
প্রায় ৩০ কিলোমিটার। সিএনজি বা অটোতে এক ঘণ্টার মতো লাগে। ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিমি।
ঢাকা থেকে গজনী কীভাবে যাব?
মহাখালী থেকে শেরপুর বা ঝিনাইগাতীর বাসে যান। শেরপুর থেকে খোয়ারপাড় শাপলা চত্বরে গিয়ে সিএনজি রিজার্ভ করুন, অথবা ঝিনাইগাতী থেকে অটোতে গজনী।
গজনীতে কি রাতে থাকা যায়?
না। নিরাপত্তার কারণে গজনীর রেস্ট হাউজে রাতে থাকার অনুমতি নেই। শেরপুর শহরের হোটেলে বা কাছের বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্টে থাকতে পারেন।
গজনী যাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় কখন?
নভেম্বর থেকে মার্চ। শীতে আবহাওয়া আরামদায়ক, তবে ভিড়ও বেশি। ছুটির দিন এড়িয়ে সকালে গেলে ভালো।
গজনীতে কী কী রাইড আছে?
ক্যাবল কার, জিপ লাইন, ঝুলন্ত সেতু, ভাসমান সেতু, প্যাডেল বোট, ওয়াটার কিংডম আর চুকুলুপি শিশুপার্কের নানা রাইড।
তথ্যসূত্র
- প্রথম আলো — গজনী অবকাশ কেন্দ্র নিয়ে প্রতিবেদন (জানুয়ারি ২০২৩, এপ্রিল ও জুন ২০২৫): prothomalo.com
- জাগো নিউজ — গজনী ভ্রমণ (নভেম্বর ২০২৫): jagonews24.com
- ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা — শীতে ঘুরে আসুন গজনী (ডিসেম্বর ২০২৪): bangla.dhakatribune.com
- দৈনিক জনকণ্ঠ — গজনীতে নতুন রাইড (জানুয়ারি ২০২২): dailyjanakantha.com
- বিডিনিউজ২৪ — গজনীর কাছে হাতির আক্রমণ (মে ২০২৫): bdnews24.com
- বন অধিদপ্তর — গজনী অবকাশ কেন্দ্র: bforest.gov.bd
- ঝিনাইগাতী উপজেলা তথ্য বাতায়ন — দর্শনীয় স্থান: jhenaigati.sherpur.gov.bd
- বিআরটিএ — বাসভাড়ার তালিকা (সেপ্টেম্বর ২০২৬): brta.gov.bd
সর্বশেষ হালনাগাদ: ৮ অক্টোবর ২০২৬। টিকিট বা নিয়ম বদলে গেলে আমাদের জানান, যাচাই করে ঠিক করে দেব।