আমার শেরপুর ৭ মিনিটে পড়ুন
গজনী, মধুটিলা বা পানিহাটা ঘুরতে শেরপুরে এসে রাতে কোথায় থাকবেন? শেরপুর শহর আর উপজেলাগুলোর আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ, ডাকবাংলো আর গজনীর কাছের রিসোর্টের ঠিকানা, ফোন নম্বর, আনুমানিক ভাড়া ও বুকিংয়ের নিয়ম, এক লেখায়।
শেরপুরে বড় তারকা হোটেল নেই। থাকার ব্যবস্থা মূলত শহরের রঘুনাথ বাজার, মুন্সী বাজার, নিউ মার্কেট আর গোপালবাড়ী এলাকার মাঝারি ও সাধারণ মানের আবাসিক হোটেলে। ভাড়ার তথ্য পাওয়া গেছে ২০২৫ সালের ভ্রমণ গাইড আর সংবাদমাধ্যম থেকে; ভাড়া সময় ও মৌসুমভেদে বদলায়, তাই ফোন করে নিশ্চিত হয়ে বুকিং দিন। শীতের ছুটিতে (ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি) পিকনিকের ভিড়ে ঘর আগেই ভরে যায়।
এক নজরে
| কোথায় থাকা সুবিধাজনক | শেরপুর শহর (গজনী ৩০ কিমি, মধুটিলা ২৫ কিমির মতো) |
|---|---|
| সাধারণ মানের হোটেল | প্রায় ৩০০–৫০০ টাকা (২০২৫) |
| মাঝারি মানের হোটেল (এসি/নন-এসি) | প্রায় ৫০০–২,৫০০ টাকা (২০২৫) |
| গজনীর কাছে রিসোর্ট | বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট, ডাবল রুম প্রায় ২,৫০০ টাকা |
| গজনী ও মধুটিলার রেস্ট হাউজ | শুধু দিনের বেলা ব্যবহারের জন্য, রাতে থাকা যায় না |
শেরপুর শহরের আবাসিক হোটেল
| হোটেল | ঠিকানা | আনুমানিক ভাড়া (২০২৫) | সুবিধা | ফোন |
|---|---|---|---|---|
| হোটেল সম্পদ প্লাজা (আবাসিক) | সম্পদ প্লাজা, রঘুনাথ বাজার, শেরপুর শহর | ৳৩৫০–২,০০০ | ৬৯টি কক্ষ; সিঙ্গেল, ডাবল, ফ্যামিলি; এসি ও নন-এসি | ০৯৩১৬১৭৭৬ |
| হোটেল আয়সার ইন | রঘুনাথ বাজার, থানা রোড, শেরপুর সদর, শেরপুর-২১০০ | ৳৫০০–২,৫০০ | এসি ও নন-এসি; ওয়াই-ফাই, গরম পানি, সিসিটিভি* | ০১৭৯৯-৩৪৪৮১০ |
| আরাফাত গেস্ট হাউজ (আবাসিক) | গোপালবাড়ী, বটতলা, শেরপুর শহর | ৳৪০০–১,৫০০ | ২০টি কক্ষ; সাশ্রয়ী | ০৯৩১৬১২১৭ |
| হোটেল বাগান বাড়ী (আবাসিক) | নিউ মার্কেট (দোতলা), শেরপুর শহর | ৳৩০০–১,৫০০ | পার্কিং আছে | ০৯৩১৬২৬৭৭ |
| হোটেল সোহা (আবাসিক) | গৌরীপুর নতুন বাস টার্মিনাল, শেরপুর শহর | ৳৩০০–৫০০ | নতুন বাস টার্মিনালের কাছে* | ০১৯২৪-৫৮০২৫৩, ০১৮২৩-৪০৪৫৩৩ |
| কাকলী গেস্ট হাউজ (আবাসিক) | মুন্সী বাজার, শহীদ বুলবুল সড়ক, শেরপুর শহর | — | ৫৫টি কক্ষ (২০১৩ সালের সরকারি তালিকা) | ০৯৩১৬১২০৬ |
| বর্ণালী গেস্ট হাউজ (আবাসিক) | মুন্সী বাজার, শহীদ বুলবুল সড়ক, শেরপুর শহর | — | ছোট গেস্ট হাউজ | ০৯৩১৬১৫৭৫ |
* চিহ্নিত হোটেলের তথ্য ও ফোন নম্বর শুধু একটি ভ্রমণ গাইডে পাওয়া গেছে। বাকি হোটেলের ল্যান্ডফোন নম্বর শেরপুর জেলা ও সদর উপজেলা তথ্য বাতায়ন থেকে। ২০২৫ সালের একটি সংবাদপত্রের ভ্রমণ প্রতিবেদনে সম্পদ, আয়সার ইন, পার্কভিউ ইন আর হোটেল হেরিটেজের ভাড়া ১,০০০–২,৫০০ টাকা বলা হয়েছে।
সাশ্রয়ী গেস্ট হাউজ
সদর উপজেলা তথ্য বাতায়নের তালিকায় শহরের আরও কয়েকটি ছোট গেস্ট হাউজ আছে। এগুলোর ফোন নম্বর প্রকাশিত নেই, সরাসরি গিয়ে খোঁজ নিতে হবে:
| গেস্ট হাউজ | এলাকা |
|---|---|
| মোল্লা গেস্ট হাউজ | গোপালবাড়ী, শেরপুর শহর |
| হাসেম গেস্ট হাউজ | মুন্সী বাজার, শেরপুর শহর |
| রাহাত গেস্ট হাউজ | রঘুনাথ বাজার, শেরপুর শহর |
| পূবালী গেস্ট হাউজ | রঘুনাথ বাজার, শেরপুর শহর |
| আশা গেস্ট হাউজ | রঘুনাথ বাজার, শেরপুর শহর |
| তাজমহল গেস্ট হাউজ | রঘুনাথ বাজার, শেরপুর শহর |
| ফেন্সী গেস্ট হাউজ | নতুন বাসস্ট্যান্ড, শেরপুর শহর |
| ফরহাদ গেস্ট হাউজ | কোচ স্ট্যান্ড, শেরী পাড়া, শেরপুর শহর |
উপজেলায় থাকার জায়গা
উপজেলা শহরগুলোতে আবাসিক হোটেল হাতে গোনা। গজনী বা মধুটিলায় রাতে থাকা যায় না বলে বেশির ভাগ পর্যটক শেরপুর শহরে ফেরেন; কাছাকাছি থাকতে চাইলে নিচের জায়গাগুলোয় খোঁজ নিন।
| নাম | উপজেলা | ঠিকানা | ফোন |
|---|---|---|---|
| মায়াবী রেস্ট হাউজ (আবাসিক) | ঝিনাইগাতী | উপজেলা ডাকবাংলোর সামনে, ঝিনাইগাতী, শেরপুর | ০১৭১১-৫১২৮০৭ |
| হোটেল শাহজালাল, ঝিনাইগাতী | ঝিনাইগাতী | ঝিনাইগাতী বাজার, ঝিনাইগাতী, শেরপুর | — |
| জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, ঝিনাইগাতী | ঝিনাইগাতী | ঝিনাইগাতী, শেরপুর | ০১৯১৭-৬৯২৮২৪, ০১৭৭৫-৮৩২৭১৩ |
| শ্রীবরদী আবাসিক হোটেল | শ্রীবরদী | শ্রীবরদী বাজার, শ্রীবরদী, শেরপুর | — |
| জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, নকলা | নকলা | মহল্লা-ইশিবপুর, ডাকঘর-নকলা, উপজেলা-নকলা, শেরপুর | ০১৯২৫-৩০৯০২৬ |
ঝিনাইগাতী উপজেলা তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর গেস্টরুম সরকারি বিধি মোতাবেক সরকারি ফি দিয়ে ভাড়া নেওয়া যায়; নম্বর দুটি কেয়ারটেকারের। নালিতাবাড়ীতে নাম জানা কোনো আবাসিক হোটেলের তথ্য পাওয়া যায়নি; মধুটিলা ঘুরে শেরপুর শহরে ফেরাই সুবিধাজনক।
গজনীর কাছে রিসোর্ট: বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট
ছবি: MD. Shoriful Islam T. (Panoramio) · CC BY-SA 3.0 · উৎস
ঝিনাইগাতীর গান্ধিগাঁওয়ে, গজনী অবকাশ কেন্দ্র থেকে প্রায় ১.২ কিমি আর শেরপুর শহর থেকে প্রায় ২৫ কিমি দূরে পাহাড় আর বনের মাঝে ছোট একটি রিসোর্ট। গজনীর একেবারে কাছে রাত কাটাতে চাইলে এটাই প্রায় একমাত্র ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবস্থা। দুটি ভ্রমণ গাইডে পাওয়া খরচ (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই ফোন করে হালনাগাদ ভাড়া জেনে নিন):
- ডাবল রুম, এক রাত: প্রায় ২,৫০০ টাকা (২–৪ জন)
- পুরো রিসোর্ট (৩টি কক্ষ): প্রায় ৭,০০০ টাকা
- শুধু দিনের বেলা ঘোরা (ডে আউট): প্রায় ১,৫০০ টাকা
- পিকনিক প্যাকেজ: প্রায় ৫,১৭৫ টাকা
যোগাযোগ: ০১৭১৬-৭৭৩২৩২ (দুটি ভ্রমণ গাইডে একই নম্বর)।
শহরের কান্দাপাড়ায় অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র দিনের বেলা ঘোরার জন্য সুন্দর জায়গা, তবে এখানে এখন রাতে থাকার ব্যবস্থা নেই।
সার্কিট হাউজ, ডাকবাংলো ও সরকারি রেস্ট হাউজ
সার্কিট হাউজ, শেরপুর
১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে চালু হওয়া জেলা প্রশাসনের অতিথিশালা, শহরের নিরিবিলি এলাকায়। বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা। সরকারি কর্মকর্তারা অগ্রাধিকার পান; বেসরকারি ব্যক্তিরা কক্ষ খালি থাকলে অনুমোদন সাপেক্ষে থাকতে পারেন। ২০১২ সালের সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী বেসরকারি ব্যক্তির জন্য ডাবল কক্ষের ভাড়া দৈনিক ১,৪০০ টাকা (পরে বদলাতে পারে)। বুকিং: নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি), ০৯৩১৬১৫১৩, ০১৭৪০-৬০২৪১১।
জেলা পরিষদ ডাকবাংলো
শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার (থানা মোড়), ঝিনাইগাতী আর নকলায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলো আছে। আগে থেকে বুকিং দিতে হয়; ঝিনাইগাতী ও নকলার নম্বর উপরের উপজেলা তালিকায়।
গজনী অবকাশ কেন্দ্রের রেস্ট হাউজ
প্রাচীন বটগাছের পাশে পাহাড়চূড়ায় জেলা প্রশাসনের ছয় কক্ষের দোতলা রেস্ট হাউজ। জেলা প্রশাসক আর বন বিভাগের পাতায় বলা আছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে এখানে রাত্রিযাপনের অনুমতি নেই; দিনের বেলা বিশ্রামের জন্য ভাড়া নেওয়া যায়। বুকিংয়ের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।
মধুটিলা ইকোপার্কের ‘মহুয়া’ রেস্ট হাউজ
টিলার ওপরে চারটি এসি কক্ষের রেস্ট হাউজ, এটিও শুধু দিনের বেলা ব্যবহারের জন্য। বাসসের জানুয়ারি ২০২৫-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী দিনের বেলা কক্ষপ্রতি ভাড়া ৫০০–১,০০০ টাকা (২০২১ সালের সংবাদে পুরো রেস্ট হাউজের ভাড়া ভ্যাটসহ ৪,৭০২ টাকা বলা হয়েছিল)। আগে থেকে বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ অফিস বা জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়।
কোথায় খাবেন: রেস্তোরাঁ আর ছানার পায়েস
পরিচিত রেস্তোরাঁ
- হোটেল শাহজাহান, নিউ মার্কেট: ০১৯১১-৪১১৭৭১
- শাহী খানা খাজানা: ০৯৩১৬১৬৪৭
- হোটেল আহার ও হোটেল শুভ, রঘুনাথ বাজার
- নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নূর রহমান হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁসহ কয়েকটি ভাতের হোটেল
- ঝিনাইগাতী বাজারে সাঈদ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট: ০১৭২৩-২৭৬৯২৩। গজনী যাওয়ার পথে দুপুরের খাবার সারতে সুবিধা।
ছানার পায়েস কোথায় কিনবেন
প্রায় একশো বছরের পুরোনো এই মিষ্টি প্রথম তৈরি হয় শহরের ঘোষপট্টিতে। দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৩৫০–৪০০ টাকা (২০২৪)। মুন্সী বাজারের ঘোষপট্টি এলাকার পুরোনো দোকানগুলো বিখ্যাত: দুর্গাচরণ মিষ্টান্ন ভান্ডার, নন্দগোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডার, প্রেমানন্দ গ্র্যান্ড সন্স, শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডার আর চারু সুইটস। রঘুনাথ বাজারে অনুরাধা মিষ্টান্ন ভান্ডার, কালীর বাজারে মা ভবতারা মিষ্টান্ন ভান্ডার। একই দোকানে মেলে শেরপুরের আরেক ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ‘ডাইলের আমিত্তি’।
শেরপুরের খাবার আর তুলশীমালা চাল নিয়ে আরও পড়ুন শেরপুর জেলা গাইডে।
থাকার আগে কিছু টিপস
- শীতে আগেই বুকিং: ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পিকনিক আর শিক্ষাসফরের মৌসুম। শুক্র-শনিবার ঘর পাওয়া কঠিন, কয়েক দিন আগে ফোনে বুকিং দিন।
- ঘর দেখে নিন: ভাড়া ঠিক করার আগে ঘর, বাথরুম আর গরম পানির ব্যবস্থা দেখে নিন; দরদাম করা যায়।
- জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন: হোটেলে চেক-ইনের সময় এনআইডি বা পরিচয়পত্র চাওয়া হয়।
- গজনী-মধুটিলায় রাতে থাকবেন না: বন্য হাতির চলাচল আর নিরাপত্তার কারণে সন্ধ্যার আগেই শহরে ফিরুন।
- ঘোরার পরিকল্পনা: কোন দিন কোথায় যাবেন আর খরচ কত, পড়ুন শেরপুর ভ্রমণ পরিকল্পনা। যাতায়াতের জন্য বাসের সময়সূচি ও ভাড়া।
সাধারণ প্রশ্ন
শেরপুরে ভালো আবাসিক হোটেল কোনটি?
শহরের রঘুনাথ বাজারের হোটেল সম্পদ প্লাজা আর থানা রোডের হোটেল আয়সার ইন সবচেয়ে পরিচিত, দুটিতেই এসি ও নন-এসি কক্ষ আছে। কম খরচে থাকতে আরাফাত গেস্ট হাউজ বা হোটেল বাগান বাড়ী।
শেরপুরে হোটেল ভাড়া কত?
২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী সাধারণ মানের কক্ষ প্রায় ৩০০–৫০০ টাকা, মাঝারি মানের এসি কক্ষ ১,০০০–২,৫০০ টাকা। মৌসুম আর কক্ষের ধরন অনুযায়ী ভাড়া বদলায়।
গজনী অবকাশ কেন্দ্রে কি রাতে থাকা যায়?
না। নিরাপত্তার কারণে গজনীর রেস্ট হাউজে রাত্রিযাপনের অনুমতি নেই। কাছাকাছি থাকতে চাইলে বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট, ঝিনাইগাতীর ডাকবাংলো বা শেরপুর শহরের হোটেল।
মধুটিলা ইকোপার্কে থাকার ব্যবস্থা আছে?
পার্কের ‘মহুয়া’ রেস্ট হাউজ শুধু দিনের বেলা ভাড়া দেওয়া হয়। রাতে থাকতে হবে নালিতাবাড়ী বা শেরপুর শহরে।
বিস্তারিত ভ্রমণ গাইড: গজনী অবকাশ কেন্দ্র · মধুটিলা ইকোপার্ক।
শেরপুর সার্কিট হাউজে সাধারণ মানুষ থাকতে পারেন?
কক্ষ খালি থাকলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অনুমোদন নিয়ে থাকা যায়; সরকারি কর্মকর্তারা অগ্রাধিকার পান। বুকিংয়ের জন্য এনডিসির সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
তথ্যসূত্র
- শেরপুর জেলা তথ্য বাতায়ন — হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট ও সার্কিট হাউস: sherpur.gov.bd
- শেরপুর সদর, ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নকলা উপজেলা তথ্য বাতায়ন — হোটেল ও আবাসন
- বন অধিদপ্তর — গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও মধুটিলা ইকোপার্ক: bforest.gov.bd
- ভ্রমণ টিপস — শেরপুর আবাসিক হোটেল সমূহ (মে ২০২৫): vromontrips.com
- দৈনিক আপন দেশ — শেরপুর ভ্রমণ (আগস্ট ২০২৫): dailyapandesh.com
- প্রথম আলো (জুন ২০২৩) ও বিডিনিউজ২৪ (ডিসেম্বর ২০২৪) — শেরপুরের ছানার পায়েস: bdnews24.com
- আদর বেপারী ও ভ্রমণপ্রিয় — বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট
সর্বশেষ হালনাগাদ: ৮ অক্টোবর ২০২৬। ভাড়া বা নম্বর বদলে গেলে আমাদের জানান, যাচাই করে ঠিক করে দেব।